শাহীন সরকার পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্রোপলিটন থানার ৪২ নং ওয়ার্ড এলাকায় আবারও দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত ২.৪৫ মিনিটে ৪২ নং ওয়ার্ডের হারবাইদ নন্দীবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকার আব্দুল কাদের ভুঁইয়ার সহোদর দুই ছেলে আমানউল্লাহ ভূইয়া ও সানাউল্লা ভূঁইয়া এর বাড়িতে ডাকাতির এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,ডাকাতি ঠেকাতে পূবাইল মেট্রোপলিটন থানা এলাকায় সড়কের প্রতিটি ফটক এ ঢুকতে ও বাহির হইতে টহল পুলিশের পাহারা, গণসচেতনতায় রাতে মাইকিং করা সত্য থামছে না এ ডাকাতি। কোনভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না ফিল্মি স্টাইলের একের পর এক ডাকাতির ঘটনা। একের পর এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ফলে আতঙ্ক বিরাজ করছে পূবাইল থানা এলাকায় জনমনে।ভয় আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না এলাকাবাসীর। নিরাপত্তা হীনতায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে এলাকাবাসী। নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে বলে জানায় পূবাইল থানা পুলিশ। চলতি মাসে পূবাইল থানা এলাকায় তিনটি ডাকাতির ঘটনা সহ ডাকাতির চেষ্টা করতে গিয়ে গত বুধবার রাত ১১ টায় ৩৯ নং ওয়ার্ড হায়দরাবাদের করিম মার্কেট এলাকায় জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে ডাকাতের একদল, তবুও ধরা ছোয়ার বাইরেই থাকছে ডাকাতেরা।
আব্দুল কাদিরের বড় ছেলে আমান ভূইয়া আমার সংবাদকে জানান, প্রথমে বাড়ির মূল কেচি গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এর শব্দ পেয়ে আমার ছোট ভাই সানাউল্লাহ কে আমি ডাকি তখন দরজা খোলার সাথে সাথে আমাকে ডাকাত দলের সাত থেকে আট জন লাথি মেরে ফেলে দেয় বাড়ির বাহিরে আরও তিন জন দাঁড়িয়ে ছিল, পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাকেসহ পরিবারের সকলকে বেঁধে ডাকাতেরা বাহির দিয়ে ছিটকারি লাগিয়ে লুটপাট চালায়।
এ সময় আমাকে ও আমার ছোট ভাই সানাউল্লাহ এর ঘর থেকে নগদ এক লক্ষ বিরানব্বই হাজার টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতেরা চলে গেলে আমান ভূঁইয়ার ছোট ভাই পালিয়ে থাকা বাথরুম থেকে এসে বড় ভাই ও ভাবির বাঁধন খুলে দিলে পুলিশে খবর দেয়। এদিকে ডাকাতেরা চলে যাওয়ার সাথে সাথে মসজিদের মাইক দিয়ে মাইকিং করার পর জনতার প্রতিরোধের আগেই ডাকাতেরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে পূবাইল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান,আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি ডাকাত ধরার জন্য। আমরা রাতে না ঘুমিয়ে কাজ করে যাচ্ছি এ বিষয়ে এখনও থানায় মামলা হয়নি।
Leave a Reply